সন্তানের বেঁড়ে ওঠায় আমাদের দায়বদ্ধতা

“আমাদের আত্মীয়-স্বজনরা আমাদের বাচ্চাদেরকে নানাভাবে আদর করেন। কিন্তুক, সবগুলাই যে ভাল, তা মোটেও নয়।”

● আবু তাহের তারেক

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

সন্তানের বেঁড়ে উঠায় আমাদের দায়বদ্ধতা The Publish

ইলাস্ট্রেশন : দ্য পাবলিশ


(এই লেখাটা মূলত প্রবাসে আপনার বাচ্চার ডেভেলপমেন্ট, এটাচমেন্ট ও সিকিউরিটি কেমন হবে- এই নিয়ে। কিন্তুক, দেশের ভিতরেও মোটামুটি এই নিয়মগুলা ফলো করা যাবে। লেখকের সাম্প্রতিক জীবনের অভিজ্ঞতা বিদেশ-কেন্দ্রিক হওয়ার কারণে ও বিদেশে প্রবাসরত বাংলাদেশীদেরকে ক্লোজলি ফলো করার মাধ্যমে, তিনি নিচের লেখাটা মুসাবিদা করছেন।)

ইন্ট্রোডাকশন

অন্যের বাচ্চারে হাগ করা, টাচ করা, পোক করা ইত্যাদির বেপারে বিদেশের অনেক সোসাইটিতে, যেমন, ইংলিশদের মৈদ্যে কঠিন রুলস এন্ড রেগুলেশনস আছে। অবশ্য, সমাজের সর্বস্তরে তা সমানভাবে চর্চিত হয়, তা না। তবুও, তাদের রাষ্ট্রে চাইল্ড-সেইফটি সংক্রান্ত আইনের পরিস্কার কিছু নিশানা আছে। এইসব আইন ও নীতি-নৈতিকতা বাচ্চাদেরকে সেইফলি বাইড়া উঠতেই হেল্প করে না, এইটা তাদের কগনিটিভ বা অপরাপর ডেভেলপমেন্টেও প্রচুর পরিমাণে হেল্প করে। আমাদের এই সংক্ষিপ্ত লেখা, মূলত, বাংলাদেশী প্রবাসীদেরকে ফোকাস করি রচিত। আমরা দেখি যে, প্রবাসী বাংলাদেশীরা এইখানে জন্ম নেওয়া তাদের আপন বাচ্চাদের লগে, বা তাদের বন্ধু-বান্ধবদের বাচ্চাদের লগে বেশকিছু আচরণ করেন, যা যেকুনু বেবির ডেভেলপমেন্ট, তার এটাচমেন্ট হ্যাবিট ও নিরাপত্তারে নানাভাবে ঝুকিতে ফেলায়। আমরা নিচে এই তিন পয়েন্ট নিয়ে কিছুটা ডিটেইলস আলাপ করব।

এরিয়াস অফ ডেভেলপমেন্ট

একটা বাইচ্চার বাইড়া উঠার লগে তার শারিরীক, মানসিক, সামাজিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, ভাষাগত ও আবেগজাত ডেভেলপমেন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাচ্চার উন্নয়নের এই ‘কি’ বা মূল এরিয়াগুলা যদি এক্সপেক্টেশন অনুযায়ী না বাড়ে, তাহলে এই বাচ্চারে স্পেশালি লুক-আফটার করা দরকার। এছাড়া, কি কারণে তার সার্টেইন গ্রোথ হইতেছে না, তাও জানা চাই। 

উপরে উল্লিখিত ডেভেলপমেন্ট-প্লানের জন্য, অন্যান্য জিনিসের লগে লগে, বেবিরে খেলতেও দিতে হবে। তার ভাল লাগা, মন্দ লাগারেও গুরুত্ব দিতে হবে। তার লগে সংগ দিতে হবে। তার লগে কথা বলতে হবে ও তারে বেসিক ইলিমও তালিম দিতে হবে। (মানে, বাচ্চারে শুধু পুষ্টিকর খাবার দিলেই, বা পরিস্কার পোষাক পিন্দাইলেই আপনার দায় বা দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না)। 

আমাদের প্রবাসী পরিবারদের অনেকেই বাচ্চাদের এইসব জরুরতকে পাত্তা দেন না। তারা তাদের বাচ্চাদেরকে টাইম দেওয়ার বদলে, তাদের হাতে বিভিন্ন ধরণের যান্ত্রিক খেলনা দিয়ে দেন। ফলে দেখা যায়, বাচ্চাদের বয়স বাড়লেও, তাদের কথা বলার হার বাড়ে না। ফলে, তাদের ভাষিক উন্নয়ন ব্যহত হয়। তাদের জ্ঞানবুদ্ধিগত উন্নয়নেও আসে স্থিরতা। এর ফলে, সামগ্রিকভাবে, একটা বাচ্চা নানারকম সামাজিক, মানসিক ও জ্ঞানগত দুর্বলতা নিয়া বড় হইতে পারে। 

এছাড়া, আমাদের প্রবাসী পরিবারগুলা তাদের বাচ্চাদেরকে আদর করি অন্যদের লগে হাটতে, খেলতে বা ইচ্ছামত দৌড়াইতেও দেন না। এদেরকে একলা একলাও তা করতে নিরুৎসাহিত করেন। এইগুলা বিশেষ করে তাদের ডেভেলপমেন্টের শারিরীক ও সামাজিক এরিয়াগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

আরো কিছু কমন সমস্যা আমাদের প্রবাসী পরিবারগুলাতে আছে। যেমন, তারা বাচ্চাদের লগে স্বাভাবিকভাবে কথা বলেন না। তারা হয় তাদেরকে অতিরিক্ত, বা বেহিসাবী আদর-যত্ন করেন। নাহয়, অতিরিক্ত বা বেহিসাবী খামখিয়ালিপনা করেন, তাদেরকে লুক আফটার করার ব্যাপারে। এইসব কারণে, একটা বাচ্চার ভাষাগত দক্ষতা কাংখিত মাত্রায় উন্নত হয় না। এছাড়া, অতিরিক্ত বা কম আদর-যত্ন বাচ্চাকে নানাভাবে এফেক্ট করে। 

আত্মীয় স্বজন ও বন্ধুদের ব্যবহার

আমাদের আত্মীয় স্বজন ও বন্ধু বান্ধবরা আমাদের সমাজের বেসিক কিছু গুণ ধারণ করেন। যেমন, তারা খুবই ‘মায়া’ প্রবণ। কিন্তুক, একটা বাচ্চার কতটুকু মায়া চাই, কিভাবে চাই, অপরের বাচ্চাকে মায়া করার নিয়ম কি বা কেমন- তার ব্যাপারে আমরা বেশ অনভিজ্ঞ। প্রাচীন রীতি অনুযায়ী, আমাদের অঞ্চলে অপরের বাচ্চারে কিস করা নয়, নাক দিয়া মায়া, সোনা, বা হুংগা দেওয়ার চল আছিল। এই চলের একটা ভাল দিক হইল, এতে আবেগের প্রকাশও হয়, এছাড়া, বাচ্চাকে সেক্সুয়ালি হ্যারাস করার চান্সও অল্প থাকে। 

আমরা যত বেশী কিতাবাদী পড়তেছি, আর অন্য সমাজের রীতি নীতির প্রতি আকৃষ্ট হইতেছি, তত দেখা যাইতেছে যে, আমরা আমাদের নিজেদের সমাজে হাজির থাকা ভাল দিকগুলার কথা বেমালুম ভুইলা যাইতেছি। বাচ্চারে টাচ করার ক্ষেত্রে, নাক দিয়া আদর করার ভাল তরীকাটা আমরা এইভাবে ভুলতেই বসছি! 

আমাদের আত্মীয়-স্বজনরা আমাদের বাচ্চাদেরকে নানাভাবে আদর করেন। যতন করেন। মায়া করেন। তার অনেকগুলাই ভাল ব্যাপার। কিন্তুক, সবগুলাই যে ভাল, তা মোটেও নয়। তারা যখন বাচ্চাদেরকে নিজেদের কাছে টানেন, তাদেরকে ধরেন, পোক করেন, বা মায়া দেন, তাতে একটা বাচ্চার কতটা সায় আছে- সেইটা অনেক সময় ভাইবা দেখেন না। 

একটা বাচ্চা তার মা বা বাপরেও ‘সবসময়’ আদর দিতে চায় না। অনেক সময় আছে, যখন তার মা বা বাপ তারে টাচ করতে চান, কিন্তুক সে রিফিউজ করে। বিশেষ করে, শরীলে খোচাখুচি বা পৌক বাচ্ছাদেরকে খুবই অস্বস্তি দেয়। আমাদের আত্মীয়দের অনেকেই বাচ্চার এই স্বাধীনতার কথা বেমালুম ভুইলা যান। তারা বাচ্চার স্বাধীনতা বা ইচ্ছার উপরে নিজেদের স্বাধীনতাকে চাপাইয়া দেন। এতে বাচ্চাদের ভিতরে স্বাধীনতা সম্পর্কিত ধারণাই গোলমেলে হয় না, এতে তাদের মৈদ্যে চিন্তাগত জটিলতাও তাইয়ার হয়। 

আমাদের আত্মীয়দের অনেকেই, বা আমাদের মা বাপদের অনেকেও এমনটা মনে করি যে, একটা বাচ্চা আর কতটুকু বুঝবে! তারা বেবিদের স্বাধীনতার ধারণা, তাদের বুদ্ধিগত সক্ষমতা, বা ভাষাগত ক্ষমতারে সিরিয়াসলি নিতে পারেন না। যদিও, একটা বাচ্চা খুবই অল্প বয়স হইতে স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে, বুঝতে বা চয়েস করতে সক্ষম হয়। তাদের এই সক্ষমতারে অভারলুক করলে, তাদের ভিতরে চিন্তাগত, আচরণগত ও ভাষাগত নানাবিধ জটিলতা তাইয়ার হইতে পারে।  

এটাচমেন্ট থিওরি

সাইকোলজিতে ফ্রয়েডের থিওরিগুলারে আমাদের দেশে অতি উচ্চ মূল্য দেওয়া হয়। যদিও, হজরত সিগমুন্ড ফ্রয়েডই এই সাবজেক্টের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক নন। এইখানে আরো অনেকেরই গুরুত্বপূর্ণ অবদান বা থিওরি আছে। এইরকমই একটা জরুরী থিওরি হইল এটাচমেন্ট কেন্দ্রিক। মানে, একটা বাচ্ছা কোন পরিবেশে, কাদের মাধ্যমে, কি কি ভাবে বাইড়া উঠতেছে- তার উপরে তার পরবর্তী জীবনের প্যাটার্ন অনেকটাই নির্ভর করে। তো, একটা বাচ্চাকে তার মা ও বাপ যেইভাবে আদর করবেন তার একটা ক্যাটাগরি আছে। তার দাদা বা দাদী যেইভাবে আদর করবেন, তার একটা ক্যাটাগরি আছে। এর বাইরে, বাকী কারা কিভাবে আদর করবেন, তারও ক্যাটাগরি আছে।  

মা ও বাবা, বা ‘অনেক ক্ষেত্রে’ দাদা ও দাদী বা তার সমান আত্মীয়-স্বজনদের বাইরে, অন্যদের উচিত নয় বাচ্চাকে মা ও বাবার মতন আদর করা, বা টাচ করা। তারা নিশ্চয়ই বাচ্চারে মায়া করবেন। তার সাথে খেলবেন। কিন্তুক, তারে কোলে নেওয়া, শারিরীকভাবে টাচ করা, কিস করা, বা মায়া করার ক্ষেত্রে চরম রেসপেক্টফুল হওয়া উচিত। এছাড়া, একটা বাচ্চাকে আত্মীয়দের কেউ যখন আদর-সোহাগ করবেন, ইউকের সোসাইটি এক্সপেক্ট করে যে; তা মা ও বাবার হাজিরাতেই করবেন। অন্যথায় নয়। 

এইসব রুলস ও রেগুলেশনের মূল কারণ দুইটা- একটা, এটাচমেন্ট সংক্রান্ত। আরেকটা, তার সিকিউরিটি সংক্রান্ত। তো, একটা বাচ্চা যদি কার কাছ হইতে কতটুকু আদর পাবে- এই বাবতে তার মা, বাপ ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ হইতে স্থির ধারণা না পায়, তাহলে সে ‘এটাচমেন্ট’-জনিত নানাবিধ প্যাচের ভিতরে পড়ে যাবে। একটা মানুষের ‘এটাচমেন্টের অরিয়েন্টেশন’ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উচিত এইটারে সর্বোচ্চ সতর্কতার সহিত রেসপেক্ট করা। 

সিকিউরিটি

একটা বাচ্চা ছোটকালে যত ধরণের শারিরীক ও মানসিক ট্রমা বা নিপীড়নের ভিতর দিয়া যায়, তার বেশীরভাগই ঘটে তার মা-বাপ ও আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে। এর ফলে, আত্মীয় স্বজনদের কে কতটুকু ভাল, এই ক্ষেত্রে এইসব আলাপ অনেকটাই মূল্যহীন। অর্থাৎ, আপনার কুনু আত্মীয় এক লক্ষ গুণ ভাল হইলেও, তান উচিত নয় আপনার বাচ্ছারে আপনার মতন করি আদর করা। মানে, আপনার বেবী হয়ত আপনার সেই আত্মীয়ের দ্বারা নিপীড়িত হবে না, কারণ তিনি আসলেই ভাল। কিন্তুক, যার-তার কোলে যাওয়া স্বাভাবিক, যার-তার দ্বারা নানাবিধ অংগে নানাবিধ টাচ পাওয়া স্বাভাবিক- এই চরম বিশ্রী ধারণাও আপনার বাচ্ছা এইভাবে ডেভেলপ করে ফেলতে পারে। এর ফলে, হয়ত আপনার বাচ্চা কারো দ্বারা নিপীড়িত হওয়ার পরেও, সে এইটারে রিফিউজ করতে চাইবে না, বা পারবে না। এই ঘটনারে সে হয়ত আপনারে আইসা বলবেও না। 

এরিক এরিকসনের উপদেশ

মনোবিশ্লেষক এরিক এরিকসন মানুষের মানসিক ও সামাজিক উন্নয়নকে বয়সভেদে আটভাগে বিভক্ত করছেন। আমরা যদি উনার এই থিওরিকে নিজেদের জন্য উপদেশ বা গাইড হিসাবে আমল করতে পারি, তাহলে কুন বয়সে মানুষের কুন কুন চাহিদা থাকে, তার একটা নিশানা পাইব। এতে করি, আমরা কুন বয়সের বাচ্চার লগে কিভাবে ব্যবহার করব, তারা কুন স্টেইজে কিরকম আচরণ করবে, বা কিরকম আচরণ এক্সপেক্ট করবে- তারও একটা গ্রাফ আমরা মনে মনে রাখতে পারব। এরিক এরিকসনের ‘থিওরি অফ সাইকো-সোশাল ডেভেলপমেন্ট’ বাচ্চা পালার ক্ষেত্রে, বা তাদের লগে আচরণের ক্ষেত্রে আমাদের জন্য একটা ভাল রেফারেন্স হইতে পারে। বলা বাহুল্য, প্রত্যেক সমাজেই এরিকসনের তত্ত্বের কাছাকাছি লেভেলের কিছু বিলিফ সিস্টেম আছে, বা থাকার কথা। 

কনক্লুশন

আমাদের দেশের প্রবাসীদের উচিত বাচ্চাদের উন্নয়ন, চাহিদা, কমফোর্ট ও আনন্দ বিষয়ে সজাগ হওয়া। একটা বাচ্চা ঠিক বয়সে ঠিক জিনিস না পাইলে, পরে অন্যকিছু দিয়া সেই গ্যাপ পূরণ করতে অনেক ক্ষেত্রেই পারবেন না। এদিকে, অপরের বাচ্চাদেরকে সময় দেওয়া, তাদেরকে হেল্প করা, তাদের খেলার পার্টনার হওয়া, তাদেরকে সামাজিক ইলিম দেওয়া- এইগুলা সবই খুবই গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক দায়িত্ব। তা সওয়াবের কামও। কিন্তুক, আপনার বা আমার উচিত এইটাও আমলে নেওয়া- যে আপনার দ্বারা অপরের বাচ্চার স্বাধীনতা, তার ইচ্ছা, বা তার কমফোর্ট ব্যহত হইতেছে কি না। আমাদের সকলেরই ভাবা উচিত, আমরা আমাদের নিজেদের, বা অন্যদের বাচ্ছাদেরকে এমনভাবে এটাচমেন্টে অভ্যস্ত করতেছি কি না, যাতে তারা নিজেরারে সমাজের দুষ্টু লোকদের খপ্পর হইতে বাচাইতে ব্যর্থ হইয়া পড়ে।

(উপরের লেখায় ইউকের যেইসব রেফারেন্স আসল, তা মূলত, উদাহরণ হিসাবেই আসল। আদতে, বাচ্চাদেরকে লুক-আফটার করার ব্যাপারে, সকল সমাজেরই কিছু উন্নত ও বিধিবদ্ধ তরীকা থাকা দরকার।) ◼

সম্পাদকীয় নোট: এই লেখায় প্রকাশিত মতামত সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। লেখকের ভাষা ও স্বর অক্ষুণ্ণ রাখতে তাঁর নিজস্ব বানানরীতি ও ভাষাশৈলী বহাল রাখা হয়েছে।


Picture of আবু তাহের তারেক

আবু তাহের তারেক

আবু তাহের তারেক একজন কবি ও অনুবাদক। বর্তমানে ইউরোপপ্রবাসী। তাঁর প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে ফের্নান্দ পেসোয়ার কবিতা (২০১৬), আইয়ো রেগো ময়না (২০১৮) ও আম্মা নদী (২০২১)।

শেয়ার করুন

পড়তে পারেন

বাংলাদেশে নিখোঁজ হওয়া ঠেকানোর বা দ্রুত সন্ধান পাওয়ার ব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত।

দ্য পাবলিশ

নেপালের একটি পাহাড়ের ধস, বাংলাদেশের একটি নদীভাঙা গ্রামের গল্পের সঙ্গে কীভাবে জড়িয়ে যায়, সেই সুতোটাই টানবো আজ।

দ্য পাবলিশ সম্পাদকীয়

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের প্রকাশিত নথি বদলে দিয়েছিল যুদ্ধ আর কূটনীতি নিয়ে জনগণের বোঝাপড়া।

দ্য পাবলিশ নিউজরুম

"মাসের পর মাস ধরে আড়ালে একে অপরের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন তাঁরা।"

দ্য পাবলিশ নিউজরুম

Scroll to Top