বাতাসের নাই কোনো সীমান্ত

পশ্চিম কালিমান্তানের আগুন যখন প্রতি বছর ফিরে আসা এক অতিথি হয়ে ওঠে, তখন প্রশ্ন দাঁড়ায়, আসিয়ান আদৌ কিছু করতে পারে কিনা

● দ্য পাবলিশ নিউজরুম

সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬

বাতাসের নাই কোনো সীমান্ত The Publish

ছবি : দ্য পাবলিশ/কুরনিয়াওয়ান/নূরফটো/শাটারস্টক


অগাস্টের শেষ সপ্তাহে পন্টিয়ানাকের আকাশ একটা নির্দিষ্ট রং নেয়, ধূসরের চেয়ে গাঢ়, কমলার চেয়ে ম্লান। পশ্চিম কালিমান্তানের রাজধানীতে স্কুলগুলা তখন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ, ক্লাস সরে গেছে অনলাইনে, কোভিডের মতো, আর শহরের বাসিন্দারা জানালা বন্ধ রেখে দিনযাপন করছেন এক এমন ধোঁয়ায়, যার উৎস তাদের নিজের দেশেই, অথচ যার প্রভাব পেরিয়ে যাচ্ছে সীমান্ত। মংগাবের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসেই পশ্চিম কালিমান্তান থেকে ধোঁয়া পশ্চিম সারাওয়াকে ঢুকতে শুরু করেছিল, আর তারপর থেকে পরিস্থিতি কেবল খারাপই হয়েছে।

২৭ অগাস্ট, আসিয়ান স্পেশালাইজড মেটিওরোলজিক্যাল সেন্টার আঞ্চলিক ধোঁয়াশা সতর্কতাকে সর্বোচ্চ স্তর, লেভেল থ্রি-তে উন্নীত করে, দক্ষিণ আসিয়ান অঞ্চলের জন্য। কালিমান্তান ও সুমাত্রার শত শত অগ্নিকেন্দ্র থেকে ধোঁয়া তখন মালয়েশিয়া, ব্রুনেই দারুসসালাম এবং আরও দূরে ফিলিপাইন্স পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। মালয় মেইলের প্রতিবেদন বলছে, সারাওয়াকের সেরিয়ানে বায়ু দূষণ সূচক পৌঁছে যায় ৪৭৫-এ, যা বিপজ্জনক মাত্রার অনেক ওপরে। ব্রুনেইয়ের রাজধানী বন্দর সেরি বেগাওয়ানে বাতাসে সূক্ষ্ম বস্তুকণা পিএম২.৫-এর ঘনত্ব বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত নিরাপদ মাত্রার প্রায় তেরো গুণ ছাড়িয়ে যায়, দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জনস্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করতে বাধ্য করে। সিঙ্গাপুরও প্রস্তুতি নিচ্ছিল সম্ভাব্য ধোঁয়াশা মোকাবিলার জন্য।

এই দৃশ্য নতুন না। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া দশকের পর দশক ধরে ধোঁয়াশা মোকাবিলার চেষ্টা করছে, তবু প্রতি কয়েক বছর অন্তর অঞ্চলটি নিজেকে সেই একই ধোঁয়ায় শ্বাস নিতে দেখে। সমস্যাটা সীমান্ত পেরোনো, অথচ তার সমাধানের এখতিয়ার অনেকটাই থেকে যায় জাতীয় সীমানার ভেতরে।

একটা পুরনো অতিথি

ঐতিহাসিক নথি বলছে, ইন্দোনেশিয়ার আগুন থেকে উৎপন্ন ধোঁয়া প্রতিবেশী দেশগুলোকে প্রভাবিত করছে অন্তত ১৯৭০-এর দশক থেকে। ১৯৯৭ এবং ২০১৫ সালের অগ্নিকাণ্ড ছিল এই অঞ্চলের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ দুটি অধ্যায়। ২০১৫ সালের সংকট এতটাই তীব্র ছিল যে, জাতিসংঘের একটি প্রকল্প নথি অনুযায়ী, তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হন, আর ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতির ক্ষতি দাঁড়ায় প্রায় ১৬বিলিয়ন ডলারে।

বিজ্ঞানীরা এই পুনরাবৃত্তির পেছনে মানুষের কার্যকলাপ ও পরিবেশগত পরিস্থিতির একটা জটিল মিশ্রণ খুঁজে পান। জমি পরিষ্কারের জন্য আগুন লাগানো একটা সূচনা বিন্দু, কিন্তু আসল বিপদ লুকিয়ে থাকে শুকিয়ে যাওয়া বিলুপ্তপ্রায় জলাভূমিতে, পিটল্যান্ডে। একবার শুকিয়ে গেলে পিট মাটির নিচে জ্বলতে থাকে, ঘন আর একগুঁয়ে ধোঁয়া তৈরি করে, যা নেভানো প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। এল নিনোর মতো আবহাওয়ার ধরন পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তোলে, দীর্ঘায়িত শুষ্ক মৌসুম গাছপালা আর পিটল্যান্ডকে শুকিয়ে ফেলে, আগুন ছড়ানোর পথ সহজ করে দেয়। এবারের সংকটেও স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত আগুনকে জিইয়ে রেখেছে। এবিসি নিউজের হিসাব অনুযায়ী, বছরের শুরু থেকে জুন পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়া জুড়ে দুই লক্ষাধিক হেক্টর বনভূমি পুড়েছে, সিঙ্গাপুরের প্রায় তিন গুণ আয়তনের সমান, আর শুধু জুলাই মাসেই পুড়েছে প্রায় ৯৫হাজার হেক্টর।

এর মানে দাঁড়ায়, আগুন লাগার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এই সমস্যার সমাধান হবে না। প্রতিরোধ, জমি ব্যবস্থাপনা আর আইনের প্রয়োগ, এই তিনটে বিষয় সমান গুরুত্বপূর্ণ, হয়তো আগুন নেভানোর চেয়েও বেশি।

দায় যেখানে শুরু হয়

ইন্দোনেশিয়াই এই সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু, কারণ সীমান্ত পেরোনো বেশিরভাগ ধোঁয়ার উৎস তার নিজস্ব ভূখণ্ড, বিশেষত সুমাত্রা আর কালিমান্তান দ্বীপে। এই বাস্তবতা ইন্দোনেশীয় সরকারের ওপর একটা স্পষ্ট দায়িত্ব চাপায়, আগুন প্রতিরোধ করা, পরিবেশ আইন প্রয়োগ করা, আর দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনা। আইন আর প্রতিষ্ঠান, দুটোই ইন্দোনেশিয়ার আছে। ২০১৫ সালের বিপর্যয়কর আগুনের পর প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে পিট পুনরুদ্ধার সংস্থা, বাদান রেস্তোরাসি গাম্বুত বা বিআরজি, গঠন করেন, যার লক্ষ্য ছিল ষাট লক্ষাধিক একর ক্ষতিগ্রস্ত পিটল্যান্ড পুনরুদ্ধার করা। মংগাবের একটি পুরনো প্রতিবেদন জানায়, সংস্থাটি খাল বন্ধ করে জলস্তর পুনরুদ্ধার আর নতুন গাছ লাগানোর মতো কাজ করেছে, তবে অগ্রগতি নিয়ে সংস্থার নিজস্ব নেতৃত্বও স্বীকার করেছে যে তা প্রত্যাশিত মানের ছিল না।

চ্যালেঞ্জটা তাই আইনের অভাবে নয়, বাস্তবায়নে। জমির ব্যবহার, অর্থনৈতিক স্বার্থ, স্থানীয় প্রথা আর চরম আবহাওয়া যখন একসঙ্গে মিশে যায়, তখন নিয়মকে কার্যকর প্রতিরোধে রূপান্তরিত করা কঠিন হয়ে ওঠে। ইন্দোনেশীয় কর্তৃপক্ষ ফের আগুনের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ঠিক যেমনটা তারা প্রতি বছর দেয়। প্রশ্নটা তাই এই না যে ইন্দোনেশিয়ার পদক্ষেপ নেওয়া উচিত কিনা। প্রশ্নটা হলো, জাতীয় পর্যায়ের পদক্ষেপ কি যথেষ্ট, যখন তার পরিণাম আঞ্চলিক?

আসিয়ান (ASEAN) আগেও চেষ্টা করেছে

আসিয়ান এই সমস্যাটাকে দশকের পর দশক ধরে চিনে এসেছে। ১৯৯৭ সালে সদস্য দেশগুলো আঞ্চলিক ধোঁয়াশা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে, প্রতিরোধ, পর্যবেক্ষণ আর আঞ্চলিক সমন্বয় জোরদার করার লক্ষ্যে। ২০০২ সালে তারা স্বাক্ষর করে সীমান্ত পেরোনো ধোঁয়াশা দূষণ সংক্রান্ত আসিয়ান চুক্তি, যা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের নথি অনুযায়ী বিশ্বের প্রথম আঞ্চলিক কাঠামো যা একগুচ্ছ রাষ্ট্রকে জমি ও বনের আগুন থেকে উদ্ভূত দূষণ মোকাবিলার জন্য আইনগতভাবে বাধ্য করে।

কিন্তু ইন্দোনেশিয়া ছিল এই চুক্তি অনুমোদনকারী শেষ সদস্য দেশ। মার্কিন কংগ্রেসের গ্রন্থাগারের নথি অনুযায়ী, দেশটির পার্লামেন্ট চুক্তিটি অনুমোদন করে ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, স্বাক্ষরের বারো বছর পর, আর অনুমোদনের দলিল আসিয়ান সচিবালয়ে জমা পড়ে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে। গবেষকরা যুক্তি দিয়েছেন, এই চুক্তির প্রক্রিয়াগুলো এখনও সীমিত থেকে যায়, কারণ সেগুলো প্রতিফলিত করে তথাকথিত আসিয়ান ধরন, সার্বভৌমত্ব আর অ-হস্তক্ষেপের নীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার এক দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি।

এখানেই একটা দ্বিধা তৈরি হয়। ধোঁয়াশা আঞ্চলিক, অথচ তার কারণ মোকাবিলার এখতিয়ার থেকে যায় প্রধানত জাতীয় সীমানার ভেতরে। এই কারণেই আসিয়ান তথ্য বিনিময়, পর্যবেক্ষণ আর জরুরি প্রতিক্রিয়ায় সমন্বয় করতে পারে, কিন্তু সদস্য দেশগুলোকে বারবার ফিরে আসা এই দূষণের জন্য পূর্ণ জবাবদিহির আওতায় আনতে হিমশিম খায়।

আসিয়ান কি আরও কিছু করতে পারে

আসিয়ানকে একটা অতি-জাতীয় কর্তৃপক্ষ হয়ে উঠতে হবে না, কার্যকর হওয়ার জন্য। যা প্রয়োজন তা তুলনামূলক বাস্তবসম্মত।

প্রথমত, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো আসিয়ানের কূটনৈতিক চ্যানেল ব্যবহার করে ইন্দোনেশিয়ার কাছে কঠোরতর প্রয়োগের দাবি জানাতে পারে। এই দাবি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। এশিয়ানিউজ নেটওয়ার্কের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ব্রুনেইয়ের সুলতান হাসানাল বলকিয়াহের সঙ্গে বন্দর সেরি বেগাওয়ানে এক বৈঠকের পর জানান, উভয় দেশ আসিয়ান প্রক্রিয়াকে সবচেয়ে ভালো বিকল্প হিসেবে বেছে নিয়েছে। আনোয়ারের ভাষায়, তারা আসিয়ান প্রক্রিয়াকেই সবচেয়ে ভালো পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন। মালয়েশিয়া এরপর ইন্দোনেশিয়ায় আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি নেয় আসিয়ান সচিবালয়ের মাধ্যমে। ততদিনে সারাওয়াকে প্রায় ছয়শো স্কুল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, প্রায় দুই লক্ষ শিক্ষার্থী এর দ্বারা প্রভাবিত হয়।

দ্বিতীয়ত, আসিয়ান স্বচ্ছতা বাড়াতে পারে। অগ্নিকেন্দ্রের তথ্য, ধোঁয়াশার মূল্যায়ন আর সরকারি প্রতিক্রিয়ার আঞ্চলিক আদান-প্রদান সহজ করে তুলতে পারে কোথায় আগুন লাগছে আর প্রতিশ্রুতি আদৌ বাস্তবায়িত হচ্ছে কিনা তা যাচাই করা।

তৃতীয়ত, আসিয়ান ব্যবহারিক সহযোগিতা বাড়াতে পারে, প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে যৌথ অগ্নিনির্বাপণ আর পিটল্যান্ড ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত। আঞ্চলিক কাঠামো এমনিতেই পিট আগুনকে ধোঁয়াশার প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করে রেখেছে বহু আগেই।

এই পদক্ষেপগুলো ইন্দোনেশিয়ার দায়িত্বের বিকল্প হবে না। বরং তারা সেই দায়িত্বকে শক্তিশালী করবে।

আসিয়ান দেখিয়েছে যে কূটনীতি দিয়ে আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলা সম্ভব, যদিও তার সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট। থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘাতে ২০২৫ সালে মালয়েশিয়ার নেতৃত্বে একটা যুদ্ধবিরতি আর পরে একটা শান্তিচুক্তি সম্ভব হয়েছিল, আনোয়ার নিজেকে একজন নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দাঁড় করিয়েছিলেন। তবে বিশ্লেষকরা মনে করিয়ে দেন যে এই সাফল্য আসিয়ানের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার ফল না, বরঞ্চ মালয়েশিয়ার সভাপতিত্বকালীন ব্যক্তিগত কূটনীতি আর যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সমান্তরাল চাপের মিশ্রণ, আর ডিসেম্বরে সীমান্তে ফের সংঘর্ষ বেধে যাওয়া প্রমাণ করে যে সেই শান্তিও দুর্বল। পরিবেশগত সংকটও একই মাত্রার রাজনৈতিক মনোযোগ দাবি করে, বিশেষ করে যখন তার পরিণাম সীমান্ত পেরিয়ে যায়।

দায় আঞ্চলিক, কিন্তু দায়িত্ব থেকে যায় জাতীয়

বারবার ফিরে আসা এই ধোঁয়াশা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটা গভীরতর সংকট উন্মোচন করে, জাতীয় দায়িত্ব আর আঞ্চলিক পরিণাম সবসময় সহজে মেলে না। ইন্দোনেশিয়াকে তার নিজের সীমানার ভেতর আগুন থামাতে নেতৃত্ব দিতে হবে। কিন্তু প্রতিবেশী দেশগুলো পরের সংকটের অপেক্ষায় বসে থাকতে পারে না, আর আসিয়ানও আরেকটা ধোঁয়াশা মৌসুমকে স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখতে পারে না।

লক্ষ্যটা এই না যে আসিয়ান প্রতিটা আগুন নিভিয়ে দেবে। লক্ষ্যটা হওয়া উচিত, আঞ্চলিক সহযোগিতাকে এতটা শক্তিশালী করা যাতে সেই আগুন প্রতিরোধ করাকে উপেক্ষা করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। দশকের পর দশক ধরে ফিরে আসা এই ধোঁয়ার পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হয়তো নতুন কোনো চুক্তির প্রয়োজন নাই। প্রয়োজন যা আগে থেকেই স্বাক্ষরিত, তা কার্যকর করার।

সম্পাদকীয় নোট : এই প্রতিবেদনটি গবেষক রিফকি দারমাওয়ানের The Conversation -এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক একটি লেখা থেকে অনুপ্রাণিত। তবে এখানে ব্যবহৃত সব তথ্য দ্য পাবলিশ পুনরায় যাচাই করেছে।


Picture of দ্য পাবলিশ নিউজরুম

দ্য পাবলিশ নিউজরুম

শেয়ার করুন

পড়তে পারেন

“আমাদের আত্মীয়-স্বজনরা আমাদের বাচ্চাদেরকে নানাভাবে আদর করেন। কিন্তুক, সবগুলাই যে ভাল, তা মোটেও নয়।”

আবু তাহের তারেক

বাংলাদেশে নিখোঁজ হওয়া ঠেকানোর বা দ্রুত সন্ধান পাওয়ার ব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত।

দ্য পাবলিশ

নেপালের একটি পাহাড়ের ধস, বাংলাদেশের একটি নদীভাঙা গ্রামের গল্পের সঙ্গে কীভাবে জড়িয়ে যায়, সেই সুতোটাই টানবো আজ।

দ্য পাবলিশ সম্পাদকীয়

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের প্রকাশিত নথি বদলে দিয়েছিল যুদ্ধ আর কূটনীতি নিয়ে জনগণের বোঝাপড়া।

দ্য পাবলিশ নিউজরুম

Scroll to Top