ইন্ডিয়ার আন্দোলন কেন এখনো বাংলাদেশের জুলাইয়ের পাশে দাঁড়ায় না

ভারতে বাড়ছে তরুণদের ক্ষোভ, রাস্তায় নামছেন বিরোধীরা। তবু বাংলাদেশের জুলাইয়ের সঙ্গে ভারতের আন্দোলনের দূরত্ব কতটা এবং কেন?

● দ্য পাবলিশ

অক্টোবর ১৮, ২০২৬

ইন্ডিয়ার আন্দোলনকে কেন এখনো বাংলাদেশের জুলাইয়ের পাশে দাঁড়ায় না | দ্য পাবলিশ The Publish

ইলাস্ট্রেশন : দ্য পাবলিশ / সূত্র: গেটি ইমেজেস


গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ইন্ডিয়ান অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ প্রকাশ রাজ বলেছেন, সরকার (মোদি সরকার) বদল তিনি চান, তবে সেটা হতে হবে ভোটের পথে, সংবিধানের ভেতর দিয়ে। কথাটা বলতে গিয়ে বাংলাদেশ আর নেপালকে সামনে এনে তিনি একটা দাগ টেনেছেন: আমরা নেপাল নই, আমরা বাংলাদেশ নই। তাঁর হাতে আছে সংবিধান, ভোটের অধিকার, প্রতিবাদের অধিকার, আর আম্বেদকর, গান্ধী ও ভগৎ সিংয়ের নাম।

বাংলাদেশের অনেকের কানে কথাটা মিষ্টি শোনায়নি, সম্ভবত। প্রকাশ রাজ এ দেশে অচেনা মানুষ নন। ইন্ডিয়ার আন্দোলনে তাঁর যোগ দেওয়ার পর জেন-জির সঙ্গে তাঁর একটা সংযোগও তৈরি হয়েছে। এমন একজন যখন বলেন “আমরা বাংলাদেশ নই”, তখন প্রশ্ন ওঠা অস্বাভাবিক নয়: এ কি দূরত্ব তৈরি, নাকি একটু ছোট করে দেখা?

প্রশ্ন তাই একটাই: ইন্ডিয়া আর বাংলাদেশের আন্দোলনকে পাশাপাশি রাখা যায় কি?

ইন্ডিয়ার আন্দোলন

শুরুটা ছিল প্রায় রসিকতার মতো। মে মাসে ইন্ডিয়ার প্রধান বিচারপতি বেকার তরুণদের নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তাদের তেলাপোকার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। যে শব্দ গায়ে পড়লে মানুষ ঝেড়ে ফেলে, একদল তরুণ সেটাকেই দলের নাম বানিয়ে ফেলল: ককরোচ জনতা পার্টি। ব্যঙ্গ হিসেবে শুরু হলেও এখন সে পরিবর্তনের ব্যাপারে গম্ভীর। প্রথম বড় অর্জনও এসেছে রাস্তা থেকেই: জুলাইয়ে বিক্ষোভের মুখে শিক্ষামন্ত্রীকে পদ ছাড়তে হয়েছে। এটা ছোট করে দেখার মতো ঘটনা নয়।

ইন্ডিয়ার আন্দোলনকে কেন এখনো বাংলাদেশের জুলাইয়ের পাশে দাঁড়ায় না | দ্য পাবলিশ The Publish
ভারতের নয়াদিল্লিতে ১০ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে আয়োজিত এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে প্রতিবাদকারীরা ভারতের জাতীয় পতাকা বহন করছেন। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং ভোটার তালিকা সংশোধনে ত্রুটির অভিযোগ তুলে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) এই গণবিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। (ছবি: গেটি ইমেজেস)

এরপর আন্দোলনের কেন্দ্রে এসেছে ভোটার তালিকা। স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন, সংক্ষেপে এসআইআর, ইন্ডিয়ায় নতুন কিছু নয়। পঞ্চাশের দশক থেকে এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। গত বছর জুনে বিহারে এর পদ্ধতি বদলানো হয়। তখন থেকে ২০০৩ সালের পর তালিকাভুক্ত ভোটারদের জন্মতারিখ ও জন্মস্থানের প্রমাণ দিতে হচ্ছে। এই বদল ভোটার ছেঁটে ফেলার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে মোদি সরকার। রাহুল গান্ধী একে ভোট চুরির নতুন অস্ত্র বলে আখ্যা দিয়েছেন। সূত্র মতে, খসড়া তালিকা থেকে প্রায় তেরো কোটি নাম বাদ পড়েছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, তিন নির্বাচন কমিশনারের দুজন এসআইআরের নানা সিদ্ধান্তে অন্তত চোদ্দোবার আপত্তি তুলেছিলেন। পরদিনই ককরোচ জনতা পার্টি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে মাঠে নামার ডাক দেয়। কমিশনের জবাব ছিল, ভিন্নমত যেকোনো প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক, আর সব সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত।

২ অক্টোবর জন্তর মন্তরের দিকে এগোনো মানুষদের পুলিশ পথেই আটকায়। পুলিশ সূত্রের বরাতে সেদিন প্রায় সাতশো মানুষ আটক হয়েছে। কিছু সংবাদসংস্থার হিসাবে সংখ্যাটা এক হাজার ছাড়িয়েছে। দিল্লি পুলিশ এ পর্যন্ত পঁচিশটি মামলা করেছে, তাতে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নামও আছে। ১০ অক্টোবর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আরবিন্দ কেজরিওয়াল ও পিনারাই বিজয়নকে আটক করা হয়েছে। আন্দোলনের তিন নেতাকে বিমানবন্দরেই তুলে নেওয়া হয়েছে। প্রকাশ রাজ নারীসহ বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশি সহিংসতার অভিযোগও তুলেছেন।

এসব কম নয়। অনুমতির দোহাই দিয়ে মিছিলের আগেই মানুষ তুলে নেওয়া, মামলার জাল বোনা, বিরোধী নেতাদের বাসে তোলা, কোনোটাই গণতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো খবর নয়। কিন্তু তুলনার প্রশ্নে এখানে একটা পার্থক্য চোখে পড়ে। হাতে থাকা নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদনগুলোতে আটক, মামলা, ব্যারিকেড আর বলপ্রয়োগের কথা আছে, গুলিতে নিহতের কোনো হিসাব নাই।

বাংলাদেশের পাশে রাখলে

২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্ট নিয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের কার্যালয়ের অনুসন্ধান প্রতিবেদন বলছে, ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে প্রায় চোদ্দোশো মানুষ নিহত হয়ে থাকতে পারেন, আহত হাজার হাজার, যাঁদের বিপুল অংশ নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে। নিহতদের ১২ থেকে ১৩ শতাংশ শিশু। এগারো হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৮ জুলাই সন্ধ্যায় প্রাণঘাতী বল প্রয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, আর ২১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীকে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ নিয়ে সতর্ক করা হয়।

চোদ্দোশো নিহত মানুষ আর কয়েকশো আটকের মধ্যে অঙ্কের তুলনা চলে না, চলাও উচিত নয়, কারণ প্রতিটি সংখ্যার পেছনে একটা করে মানুষ আছে। কিন্তু দুই আন্দোলনের ওজন বোঝাতে এই ফারাকই যথেষ্ট কথা বলে।

আর ২০২৪ কোনো আকাশ থেকে পড়া ঘটনা ছিল না। এর পেছনে ছিল দীর্ঘ জমে ওঠা এক যুগ। ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে অভিযান হয়। মৃতের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আজও মেটেনি। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের হিসাবে অন্তত ৫৮, অধিকারের ৬১, আর সরকারের ১৩। ২০১৪ সালে বিএনপি নির্বাচন বর্জন করে, ফলে ১৫৩টি আসনে ভোটই হয়নি, আর ২০১৮ সালের নির্বাচনের দিন অন্তত আঠারোজন নিহত হন। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনকে দেশি-বিদেশি মহলের একটা বড় অংশ অগ্রহণযোগ্য বলেছে। ২০১৮ সালে দুই কিশোরের মৃত্যুর পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে কিশোর-কিশোরীরা রাস্তায় নামে, রাজধানী প্রায় অচল হয়ে পড়ে। সেই বছরই কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন হয়, আর অক্টোবরে সরকার নবম থেকে ত্রয়োদশ গ্রেডের চাকরিতে কোটা বাতিল করে। ২০২৪ সালের জানুয়ারির ভোটে বিএনপি অংশ নেয়নি, আর ভোটার উপস্থিতি ছিল মাত্র ৪০ শতাংশ, ২০১৮ সালে যা ছিল ৮০ শতাংশের বেশি।

এক যুগ আগে আমরাও ভাবতাম, ভোটের বাক্সই আমাদের ভরসা। সেই ভরসা ভাঙতে বছরের পর বছর লেগেছে, আর সেই ভাঙনের শেষে এসেছে জুলাই। ইন্ডিয়া এখনো সেই গিরিপথের গোড়ায়, চূড়ার কাছে নয়।

ইন্ডিয়ার আন্দোলনকে কেন এখনো বাংলাদেশের জুলাইয়ের পাশে দাঁড়ায় না | দ্য পাবলিশ The Publish
১৮ জুলাই, ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশের ঢাকার ধানমন্ডির লালমাটিয়া এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় গুলিবর্ষণের ঘটনায় এই শিশু আহত হয়। (ছবি: গেটি ইমেজেস)

রাষ্ট্রযন্ত্র দিয়ে নিজেকে বাঁচানোর দুই চেহারা

২০২৪ সালে আন্দোলন ঠেকাতে বাংলাদেশে যা হয়েছে, তা কেবল পুলিশের লাঠি বা গুলির ঘটনা না। জাতিসংঘের অনুসন্ধানের ভাষ্য মতে, সরকারের টিকে থাকার লড়াইয়ে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে কাজে লাগানো হয়েছিল। জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে তৎকালীন সরকার ও আওয়ামী লীগ নিজেদের সশস্ত্র কর্মীদের মাঠে নামায় এবং ছাত্রলীগ আন্দোলনে সমর্থকদের উসকানি দেয়, তাতে মন্ত্রীরাও ছিলেন। একই প্রতিবেদন বলছে, মন্ত্রিসভা পরিকল্পিতভাবে ইন্টারনেট বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যাতে নির্যাতনের খবর ও আন্দোলনের সমন্বয় ছড়াতে না পারে। সরকারের দাবি ছিল, আন্দোলনকারীরা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করেছে বলে সংযোগ বন্ধ করতে হয়েছে। জাতিসংঘের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী ১৮ থেকে ২৩ জুলাই এবং ৪ ও ৫ অগাস্ট সংযোগ ইচ্ছাকৃতভাবেই সীমিত করা হয়েছিল।

রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ দুই হাত ছড়িয়ে পুলিশের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। জাতিসংঘের প্রতিবেদন পুলিশের হাতে তাঁর ইচ্ছাকৃত বিচারবহির্ভূত হত্যার বিশ্বাসযোগ্য কারণ খুঁজে পেয়েছে। শিশুদের হত্যা, আহত করা, গ্রেপ্তার, অমানবিক পরিবেশে আটক ও নির্যাতনের কথাও আছে। নারী আন্দোলনকারীরাও গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা পেতে বাধাও দেয়া হয়েছে। জাতিসংঘের প্রাথমিক বিশ্লেষণ আরও দেখিয়েছিল, বাংলাদেশে মামলায় কয়েকশো অজ্ঞাতনামাকে আসামি করার চল গণগ্রেপ্তারের ঝুঁকি বাড়ায়।

এই যন্ত্র একদিনে গড়ে ওঠেনি। অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুম কমিশন ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ১,৭৭২টি গুমের ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। 

অন্যদিকে, ইন্ডিয়ার  দিকে তাকালে ছবিটা আলাদা, তবে ছোট করে দেখা যাবে না। ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির “সংসদ চলো” মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে। ষাটজনের বেশি আন্দোলনকারী আহত হন। ১০ অক্টোবর জন্তর মন্তরের দিকে এগোনো মানুষদের ঠেকাতে ত্রিশ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল, আর সাত হাজারের বেশি মানুষ আটক হন। পুলিশের ভাষ্যে সেদিন পাথর ছোড়ার ঘটনায় পনেরোজনের বেশি পুলিশ আহত হয়েছেন। এর সঙ্গে আছে নিষেধাজ্ঞা জারি, মামলা, বিরোধী নেতাদের আটক।

তবু পার্থক্যটা চোখে পড়ে। হাতে থাকা প্রতিবেদনগুলোতে ইন্ডিয়ার এই আন্দোলনে গুলিতে নিহতের কোনো হিসাব নাই। আহতের সংখ্যা শতকের ঘরে। ইন্টারনেট বন্ধ, চিকিৎসা আটকানো, গুমের কাঠামো জাতীয় অভিযোগও আজ পর্যন্ত ওঠেনি। পার্থক্য তাই সংখ্যায় যতটা, ধরনেও ততটাই। একদিকে আটক, মামলা, লাঠি আর টিয়ার গ্যাস। অন্যদিকে, জাতিসংঘের ভাষ্যে, সামরিক রাইফেল, ইন্টারনেট বন্ধ, চিকিৎসায় বাধা আর বছরের পর বছরের গুমের সিস্টেম।

প্রকাশ রাজের যুক্তির ভেতরের যুক্তি

“গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার বদল” বলতে গেলে একটা শর্ত ধরে নিতে হয়: ভোটের পথটা খোলা আছে। এ কেমন ডিক্টেটর শাসনব্যবস্থা, যে ভোটের অধিকার জনগণের হাতে রেখেছে? আর যদি সত্যিই রেখে থাকে, তবে সে এখনো সেই চরম রূপ নেয়নি, যেখানে ভোট অর্থহীন হয়ে যায়। স্বাধীন ভাবে ভোট দেয়ার দরজা যতক্ষণ খোলা, ততক্ষণ গণঅভ্যুত্থানে সরকারের পতন চাওয়া এক ধাপ লাফিয়ে যাওয়াই বটে।

মজার ব্যাপার হলো, প্রকাশ রাজ নিজেও পতনের কথা বলছেন না। তাঁর কথায় নির্বাচিত সরকারকে মেয়াদ শেষ করতে হবে, আর ভোটাররা পরের নির্বাচনে নিজেদের রায় দেবেন। আন্দোলনকে তিনি বলেছেন “কেবল ট্রেলার”, মানে মূল ছবি আসতে বাকি। ট্রেলারের সঙ্গে পুরো সিনেমার তুলনা করতে গেলে দর্শক বিরক্ত হবেন, সে দোষ সিনেমার নয়, তুলনাকারীর।
তবে “ভোটের অধিকার আছে” কথাটা নিরাপদ তখনই, যখন ভোটের প্রক্রিয়াটাই বিতর্কে জড়াবে না। ইন্ডিয়ার আন্দোলনকারীদের আপত্তি ঠিক সেখানেই: তালিকা ছোট হয়ে গেলে ভোটের অধিকার কাগজে থাকে, বাস্তবে নয়।

যে দুই দেশের নাম তিনি একসঙ্গে বলেছেন, তাদের পরিস্থিতিও এক নয়। নেপালে সরকার পড়েছে সামাজিক মাধ্যম নিষেধাজ্ঞার পর রাজপথের ক্ষোভে। বাংলাদেশে পড়েছে, জাতিসংঘের প্রতিবেদনের ভাষায়, প্রাণঘাতী দমনের মধ্য দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টার পর। এক ঝুড়িতে তিনটি দেশ রাখলে ঝুড়িটা সুন্দর দেখায়, কিন্তু ফলগুলো আলাদা। ইন্ডিয়ার আন্দোলন বাড়ছে, আরও বাড়তে পারে। কিন্তু আজকের মাপে তাকে বাংলাদেশের জুলাইয়ের পাশে বসানো মানে বড়দের জুতোয় ছোটর পা গলানো: জুতো পায়ের চেয়ে বড়, আর পা এখনো বাড়ছে।


Picture of দ্য পাবলিশ

দ্য পাবলিশ

অনুসন্ধান, গল্প, প্রবন্ধ ও মুক্তচিন্তার স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম।
শেয়ার করুন

পড়তে পারেন

পিএইচপির নিরাপত্তাত্রুটিতে বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইটে লাখ লাখ হামলার চেষ্টা। ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত নিরাপত্তা হালনাগাদের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

দ্য পাবলিশ নিউজরুম

প্যারিসের শহরতলির এক স্কুলের ফাঁকা পদ থেকে শুরু হয়ে এক মাসে সারা দেশ। এই আন্দোলনের মুখ কারা এবং কেন।

দ্য পাবলিশ

মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে এমন এক সময়ে, যখন সৌদি আরবে নির্যাতিত বা মৃত বাংলাদেশি নারী শ্রমিকদের ঘটনায় বিচারের নজির বিরল।

দ্য পাবলিশ সম্পাদকীয়

Scroll to Top