মেট্রো রেলে প্রেম ও অন্যান্য কবিতা

জহির হাসানের ১০টি কবিতা। মেট্রো রেলে প্রেম, মহড়া, তুচ্ছ কারণে, প্রেমের জাদুর সার্কাস মেলায় একদিন ও অন্যান্য।

● জহির হাসান

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

মেট্টো রেলে প্রেম ও অন্যান্য কবিতা | দ্য পাবলিশ The Publish

ইলাস্ট্রেশন : দ্য পাবলিশ, ছবি : গেটি


আমি দুনিয়া ঘোরা লোক। দুই মাস হইল ঢাকায়।

প্রতি সোমবার আমি রাত ৯টার দিকে মেট্রোতে
মতিঝিল থাকি উত্তরার হোটেলে ফিরি। শেষ কামরায়

উঠলে দেখি একটা সুন্দর হিজাবি মেয়ে সঙ্গে একটা যুবক
তারা কোথায় যায় প্রতি সোমবার
নামে আগারগায়।

মেয়েটার মুখে ছেলেটা হাত রাখে সলাজে লুকায়ে,
প্রথমে চুমায় আলতো করি, পরে জোরে জান বার করা
কামড় মারে ছেলেটার হাতে!
(মেট্রোসমাজের লোকজন দেখেও
না দেখার ভান করে, কেন তাদেরে হেনস্থা করে না?)
তারপর তারা দুজনে গুনতে থাকে
কয়টা দাতের ছাপ, কতটা গর্ত ভাসি উঠল, কামড়টা
এক্সাট হার্টের শেপ নিল কিনা,
আর কামড় কতটা গভীর হইলে
ভালোবাসা বাচতে পারে দুনিয়ায়-
এই নিয়া তারা আলাপ চালায়ে যায়!

সত্যি কথা বলতে কী
এই একই দৃশ্য আমি দেখছি মেট্রোতে মিউনিখে, ওয়ারশতে,
ওকিনাওয়ায়, পারিতে, সেন্ট পিটার্সবার্গে…

সবসময় দেখছি তখন আমার পাশের সিটগুলা ফাঁকা থাকে
এই ফাঁকা থাকাটা বুঝতে পারি না
যখন প্রেমিক-প্রেমিকারা হাত ধরাধরি
করি চলি যায়
তখন বুঝি না কেন আরও বেশি
ফাঁকা লাগে
স্টেশনগুলারে!

আয়না মোড়ানো কোনো রেস্তরাঁতে, কোনো বাড়িতে,
আড্ডাখানায় আমি বসি না যাতে আয়নার কারসাজিতে
প্রতিবিম্ব তৈয়ার হয় আমাদের দুজনের।
যখন বিকাল হয় আয়নামুক্ত একটা কাঠের রেস্তরাতে গিয়া বসি
কফি খাই, আমাদের দুজনের চোখে কালো চশমা থাকে
যেন আমাদের দুজন দুজনের চোখের মণিতে
শেষে নিজেদেরই প্রতিবিম্ব না হই উলি উঠি!
আমরা যেন দুনিয়ার সব লুপ্ত ভাষার শব্দগুলার পিছনে
ভাবগত অর্থ বসাইতে থাকি,তারা জীবন পাইতে থাকে,
আমাদের বিকাল লম্বা হইতে থাকে
যেন তার আর কোনো শেষ নাই,
আমরা কফি খাই আর চুপ থাকি,
আমরা শক্ত পাথর বা পাহাড়ের কথাও ভাবি না
যদি ভালোবাসা শব্দটা উচ্চারণ করলে তাতে বাড়ি খাইয়ে
প্রতিধ্বনি তৈয়ার হয়!
একবার শুধু বিরক্ত হইছিলাম
একজন বেকুব জোরে জোরে চিল্লায়ে এই চুপ রেস্তোরাতে কইছিল,
দুনিয়াডা হইল সবকিছুর মহড়া,
আসল জিনিস পাইবা কোথায় মিয়া
সবই নকল, ফটোকপি!

‘খুব তুচ্ছ কারণে আমারে মরে যেতে হবে হুমায়ূন আজাদেরও আগে ‘
আমি বলি, ‘যে আগে মারা গেছে
অলরেডি তার আগে তুমি কেমনে মরবা?‘
তার টি শার্টের পিছনে লিখা
‘ডাউনলোড দ্য ওয়ার্ড।’

মওত নিয়া যারা খেলে
কিশোরগ্যাঙের মতো
তাদের প্রলোভনে আমি দ্রুত পড়ি,
যাইহোক একটা বনের কিনারে নিয়া যায় সে,
তারপর কঠিন গাঢ় এক রাশ অন্ধকার
সেই জায়গায় গিয়া আমরা দাড়াই,
যেই না দাড়াই,
আমি বুঝি তখনই ভূ-পৃষ্ঠের কেন্দ্রেরই উপর দাড়াই পড়ছি,
ফলে আমার হালত ধরা পড়ে!
আমার হাতে আর আমার নিয়ন্ত্রণ নাই
তবু আমি দেখলাম,
সময়হীন একটা জগতে চলি আসছি
দেখলাম আমি একজন নারী
ঐ নারীর ভিতর দেখলাম,
প্রতিদিন আমাদের হারানো দুনিয়াডারে।
আমি নারীটির ভিতর ঝাপ দিতে যাই
সে খপ করি আমার হাত ধরি ফেলে।
দেহতত্ত্ব না বুঝিই ঝাপ দিতেছ?
আমি কই, মানে ব্রহ্মান্ড, কেন আমি তো
আগেই শূন্যের কাছে
চাইলেই সব পাইতাম!
সে কয়, যা পাইছ
তা কি তুমি ধরি রাখতে পারছ?

আহা, আমি তো জানিই না
আমার ভিতর কে চায়?
কে খায়?
কে হাতড়ায়!

নারীটি এইবার একটু মিটকি মিটকি হাসে।
তাতে তার প্রতি আমার আরও আগ্রহ বাড়ে।
ওমা দেখি যে উসকা খুশকা একজন পাগল
আসি আমারে মজায় বন্দী করি ফেলে!

আমার মনে হইল আমি ঠিক মতো দেখতেছি তো!
তা না হইলে ঘটনার স্বাক্ষী হইব কেমনে!
মনে পড়ি গেল মনীষীর আহাজারি,
আমরা অন্ধ না হইলেও আমাদের অন্ধত্বের হাত হইতে রক্ষা নাই।

এই ঘটনার পর হইতে
ওই পাগল আর নারীটির তত্ত্বাবধানে
এখন আমি সবার সাথে চলিফিরি
আড্ডা দিই
সংসার করি দুনিয়ায়
আমি যে বন্দী খুব একটা তুচ্ছ কারণে
তা আর কাউকে আমি
বলতে পারি না!

ঘোষক আবারও কইলো মাইকে
‘ভালোবাসতে জানলে সব সহজ হয়ে যায়।’

তার কথায় পাত্তা না দিয়া
আমরা মাঠের ভিতর দেখতেছিলাম,
কত সহজে ছেলেটা মেয়েটার ঠোটে চুমু খায়
বাতাসের ভিতর ভাসি আসি, উড়ি উড়ি,
সবুজ দিগন্ত ছুই, আবার আমাদের মাথার উপর
গোত্তা খাইতে থাকল সবুজ টিয়া পাখির মতন।
ছেলে আর মেয়েটার চোখ থাকি
সুরমা ঝরতেছিল আমাদের নয়নে,
মেয়েটার বুকের আঙুর দুটো আরও নিঃসঙ্গ হইতে থাকল
আমাদের চোখে,
নিচে আকাশমুখী
সব জুটিরা
অপেক্ষায় আছে তাদের হাতের পাথর
গলি ঝর্নার পানি হই যাবে!

প্রতি মাসে কোনো জুটি 

এইভাবে গভীর মনোবল নিয়া আকাশে উড়তে পারে!

মনে পড়ে ভাই-ভাবী হারাই গেছে
ওদের ভালোবাসা ছাড়া, আজ
এই অভিনব আয়োজন দেখি
তাদের ঠিকানা বদলাই যাইত হয়ত দুনিয়ায়!

আয়োজকদের প্রেমের যাদু এই মাসিক আয়োজন
মাঠের ভিতর দেখতে আসি
খুব একা হই গেলাম
পাশে নিম্নকন্ঠী কেউ থাকলে আজ দান বাধতেও পারত!

ঘোষক আবারও কইলো মাইকে
‘ভালোবাসতে জানলে সব সহজ হয়ে যায়।’

রিচার্ড ডকিন্সের দ্য সেলফিস জিন বইটার ভূমিকা না পড়লে
এই ব্যক্তিগত গল্পটা অজানাই থাকি যাইত।
ডকিন্স তার ব্যক্তিগত ফুলবাগানে
একজোড়া মাকড়সা দম্পতিরে কথা দেন
তাদের ফাস হই যাওয়া সত্য কাউরে কইবেন না।
মাকড়সা দম্পতি জিগাসে, আমরা কখন সত্য জানি?
ডকিন্স উত্তর দিল, সত্য জানার ইচ্ছা যখন থাইকা শুরু হয়।

পরদিন ডকিন্স যাই দেখে যে জায়া মাকড়সা
তার পতিরে মিলিত হওয়ার পর আস্ত খাইয়ে ফেলছে।

জায়া মাকড়সশা তখন কয়, এইবার বলো সত্য কখন জানন যায়?
ডকিন্স এইবার উত্তর দেয়, মিথ্যারে আলাদা করতে পারার পর থাইকা।

কয়দিন পর বাগানে গেলে গর্ভবতী মাকড়সা জানায়,
আমার মৃত্যু সমাগত।
আমার অনাগত সন্তানরা তাদের
অ-মর ক্ষুধায় সাড়া দিতে
আমারে তাদের ভিতর সমাধিস্থ হইতে হবে।

এইবার কও দেখি, সত্য কখন জানা যায়?
সে উত্তর করল, মৃত্যুই সত্যরে জানার পথ।

জায়া মাকড়সার মরা পেট হইতে অগনন মাকড়সা ছানা ডকিন্সের
দুই চশমায় গিয়ে বাসা বাধল।
তারা প্রশ্ন করে, তুমিই আমাদের বাবা-মা?
ডকিন্স তরুণ মাকড়সাদের জালের ভিতর দি দুনিয়ার সত্য
দেখবার চেষ্টা করতেছিলেন।

সব সত্য জালে আটকা পড়ে যায়
কোনো প্রাণির কাছে আসে না।
সত্য তাদের কাছে নিরাপদ না।

মাকড়সা ছানারা তবু ফের বলে, তুমিই আমাদের মা-বাপ।

অসহায় ডকিন্স কয়,
সময় হইলে সত্য বিষয়ে তোমরা শুধু গল্প শুনতে পারবা।
গল্পের বাইরে থাকা সত্যের অপেক্ষায় অসহ্য হই
গল্পের ভিত্রের এই ছানারা
রাগিমাগি ডকিন্সের চোখদুইটাই খাইয়ে ফেলে।

বেমালুম ভুলি যাই আমি পাহাড় ভ্রমণে আসছি।
কদম চালাই জোরে।
হাগার মারফত পেটের ময়লা ফালানো আর
আমার পাহাড়ে আসি মাথার ব্যারাম দূর করা একই!

একজন চুল উলাঝুলা মহিলা
ভিক্ষাপাত্র হাতে।
আমারে ইশারায় বলে, বাম হাত না,
ডান হাতেই ভিক্ষা দিতে হয়। আমার ত্যাজ হয়,
আমি দিই না, আমি পাহাড়ের মতো মাথাউচা।
ছ-ন কদম আগাই পর তাকই পিছনে
দেখি ভিখারি মহিলাটা ২০ বছরের
এক সুন্দরী রূপ ধরি বুকের কাপড় ফেলায়
ডাকে, এক নাজেহাল দশা আমার!

এক বার যেই মনে হইল ওর যৌবনের দিকে আগাই
দেখি দুজনের মাঝখানে একটা বাঘ হাজির।

সে কয়, সুন্দর সুকন্ঠে কয়,
আসো, আসো আমারে কোলে উঠায়ে
নিতে চাও!
লজ্জায় কুকড়াই যাই।
তোমার লাগি একটা বাঘ পাঠাইলাম,
বাঘের পিঠেই চড়ি আইসো!

পাহাড়ের নিচে সবাই আমারে ফেলে চলি গেছে
আউলাঝাউলা কোনো মতের মধ্যে পড়ি গেলাম!

ঘড়ির দিকে তাকাই।
অতীতেও এই ভাবে কয়বার
পাহাড়ে আসি ট্র্যাপে পড়ছি ভাবতে থাকি!

‘লাগাই’ শব্দটা আমার প্রেমের কবিতায় লিখার পর,
তুমি লজ্জায় ঘৃণায় অন্দর মহলে চলি গেলে,
আমি অনেক অনেক সন্দেশ পাঠাই, পাইনা না খবর,
কী আর করা, আমি তো নাছোড়, তোমার
গলিতে গিয়া ছুই দিই পরম আদরে
তোমার বাড়ির দেয়াল, তুমি যেই পথে ঐ গলিতে হাটি গেছ,
সেই পথের ধুলা তুর পাহাড়ের
সুরমার মতো মাখতে থাকি বৃষ্টি আসার আগ পর্যন্ত,
সত্যি বৃষ্টি যেই আসে আমি
ঐ গলির কাদা গায়ে মাখতে গেলে
পিছন থাকি খপ করি আমার হাত ধরি বসে,
তারা আমারে নিয়া যায় পাশের শুড়িখানায়,
বসায় দূরের এক চেয়ারে।

একজন বুকোস্কি আরেকজন গালিব।
অথচ দুজনই
এক গেলাসে সুরা পান করতেছে,
আমি তাদের কাছে আইতে গেলে
ইশারায় কয়,
তুমি আরও কিছুক্ষন দর্শকই থাইকা যাও!

জুলিয়া রবার্টসরে আমি চিনি না। দেখি নাই তারে কভু।
সেদিন সিরিয়ান এক ট্যাক্সি ড্রাইভাররে এক ভ্লগে
বলতে শুনলাম, তিনি নাকি জীবনে এক রাতও
জুলিয়া রবার্টসরে ভালো না বাসি ঘুমাইতে যান নাই!
নাম তার বাশার।
বাশারের চোখ থাকি আমার চোখে জুলিয়া রবার্টস
লাফ দিয়া ঢুকার আগেই ভাবলাম
জুলিয়া রবার্টসরে বাদ দিয়া
পৃথিবীতে কোনো নারীরে
ভালোবাসা সম্ভব নয়
তাই আমিও তার মতো জুলিয়া রবার্টসরে ভালোবাসি।

২.
খুলিই কই আপনাদেরে
কেউ কাউরে ভালোবাসে কইলে
কর্মসূত্রে
আমি তারে ভালোবাসা শুরু করি।

কেউ কারে ভালোবাসা মানে
রিস্ক নেয়া,
সার্কাসের দড়ির উপর তারা খালি হাতে
হাটা শুরু করে,
তখনই আমার কাজ
নিচে বিশাল এক জাল পাতা
তারার কেউ যদি পা ফসকাই
নিচে পড়ি যায়
শেষে প্রভু!

লোকটা পাগল।মেট্রো স্টেশনের
লিফটে উঠতে গিয়া কী ভাবি সে
উঠল না।
এক হাতে দুইটা কমলালেবু।
আর হাতে একটা পাউরুটি।
রুটিখান কাড়াকাড়ি কামড়াই কামড়াই খাইতেছে।
অদৃশ্য পাগল আরেকখান যেন তার
রুটিতে নিহেতু ভাগ বসাইছে!
সেই পাগলরে সামলাইতে
এই পাগলের বাম হাত থাকি একটা কমলালেবু
মাটিতে গড়ায়!
সেই কমলালেবুরে সে তুললো না!
হাসতে হাসতে অদৃশ্য পাগলরে কয়,
খা, খা, শরমিন্দা ক্যা রে, এইডা তর, এইডা তর!
অদৃশ্য সে পাগলের লাগি
কমলালেবুটা রাখি চলি গেল!
আমরা তো জানতাম
পাগলের খাবার আসে বা আল্লার তরফ থাকি!
পৃথিবী অনেক পাল্টাই গেলেও
এই নিয়মটা এখনও পাল্টায় নাই!
মেট্রো লিফটে উঠতে উঠতে
পাগলটারে আর দেখাই গেল না !

যখন চিঠি ডাকটিকেট আর পোস্টম্যানের যুগ ছিল
সেই সময়ের আব্বার কথা বলতে চাই কবিতায়।
এই যুগের কবিতা লিখি না আমি
এই অভিযোগ আছে কিঞ্চিৎ আমারে নিয়া।
আব্বায় যেন কইতেন সময়ের ভাষা কয়ে কিছু নাই
তুই মন থেকে লিখে যা
কারও কথায় কান দিতে যাসনে!

একবার আব্বার চিঠি পাই না বহুদিন!
মনে উদয় হইল আব্বা কী কঠিন গোস্বা করলেন এইবার!
চিন্তায় পড়ি গেলাম
তবু হাতড়ে তীরে উঠলাম।
পরের দিনই চিঠি আসল
তার পরের দিন চিঠি
তার পরেরদিন চিঠি আসল
চিঠির পর চিঠি আসতেই থাকল
সেইসব চিঠি- পাহাড়ের পাদদেশে
আমি নিরক্ষর হই পড়লাম!

আমি একটা চিঠিও খুলি পড়তে পারলাম না
শুধু শুকতে থাকলাম, চিঠির সে কি অলৌকিক সুগন্ধ!
কারণ প্রতিটি চিঠি আব্বার অশ্রুতে লিখা
আব্বা আর আমাদের ভাষায়
কালি কলমে চিঠি লিখতে আস্থা পাইতেছেন না!
আব্বা নিখোঁজ হওয়ার পর
আব্বার ঠিকানা আমি না জানলেও
আমিও কাদতে কাদতে নয়নের আলো অশ্রুতে মিশায়ে
প্রতিটি চিঠির উত্তর দিতে থাকি!
দেখি এইবার আপনে আর কত
পুত্রের কাছে ধরা না দিয়া
গায়েবে থাকতে পারেন!


Picture of জহির হাসান

জহির হাসান

জহির হাসান একজন কবি ও চিত্রশিল্পী। ১৯৮৪ সালে দৈনিক স্ফূলিঙ্গ-এ প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কবিতা। ধর্ম, ভাষা, দর্শন ও চিত্রকলার প্রতি তাঁর আগ্রহ তাঁর দীর্ঘ সাহিত্যিক যাত্রায় নানা রূপে ফিরে এসেছে। তাঁর প্রকাশিত কবিতার বইয়ের মধ্যে রয়েছে পাখিগুলো মারো নিজ হৃদয়ের টানে (২০০৩), গোস্তের দোকানে, ওশে ভেজা পেঁচা, পাতাবাহারের বৃষ্টিদিন, খড়কুটো পাশে, আয়না বিষয়ে মুখবন্ধ, আম্মার হাঁসগুলি, বউ কয় দেখি দেখি, বকুলগাছের নিচে তুমি হাসছিলা, আম্মার আরও হাঁস, আমি ও জহির, রইদের ডাইরি,মেঘ শিশিরের জমানা, সমুদ্রের কবিতা। গদ্যগ্রন্থ—জলপাই গাছের রব (২০২১), বিম্ব যেটুকু দেখায়। ২০০৬ সালে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর সাক্ষাৎকার পুস্তিকা কথাবার্তা, যাতে কবি উৎপলকুমার বসুর সাক্ষাৎকার রয়েছে। তিনি ঢাকায় বসবাস করেন।

শেয়ার করুন

পড়তে পারেন

পিএইচপির নিরাপত্তাত্রুটিতে বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইটে লাখ লাখ হামলার চেষ্টা। ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত নিরাপত্তা হালনাগাদের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

দ্য পাবলিশ নিউজরুম

প্যারিসের শহরতলির এক স্কুলের ফাঁকা পদ থেকে শুরু হয়ে এক মাসে সারা দেশ। এই আন্দোলনের মুখ কারা এবং কেন।

দ্য পাবলিশ

ভারতে বাড়ছে তরুণদের ক্ষোভ, রাস্তায় নামছেন বিরোধীরা। তবু বাংলাদেশের জুলাইয়ের সঙ্গে ভারতের আন্দোলনের দূরত্ব কতটা এবং কেন?

দ্য পাবলিশ

Scroll to Top